বেগুন
📘 বেগুনের ১০টি মূল দিক
- বৈজ্ঞানিক নাম ও পরিবার: Solanum melongena, এটি Solanaceae (টমেটো ও আলুর পরিবার) এর অন্তর্গত।
- উৎপত্তি ও বিস্তার: বেগুনের উৎপত্তি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। বর্তমানে এটি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই চাষ হয়।
- জাতভেদ: বাংলাদেশে বারি বেগুন ১–১০ সহ স্থানীয় জাত যেমন তাল বেগুন, খাটখাটিয়া, নয়ন কাজল ইত্যাদি রয়েছে।
- চাষের সময়কাল: অক্টোবর-নভেম্বর মাসে চারা রোপণ করা হয় এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চে ফল সংগ্রহ করা যায়।
- মাটির ধরন: দোআঁশ ও পলি মাটি বেগুন চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী; pH ৫.৫–৬.৫ হলে ভালো ফলন হয়।
- পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম বেগুনে থাকে—
- শক্তি: ২৫ কিলোক্যালরি
- আঁশ: ৩ গ্রাম
- ভিটামিন C, B6, ফোলেট, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ
- স্বাস্থ্য উপকারিতা: হজমে সহায়ক, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং কোলেস্টেরল কমায়।
- রান্নায় ব্যবহার: বেগুন ভর্তা, পোড়া বেগুন, মাছের সাথে তরকারি, বেগুনী, দম বেগুন ইত্যাদি জনপ্রিয় খাবার।
- রোগ ও পোকা: ফল ছিদ্রকারী পোকা, পাতার দাগ রোগ, জাব পোকা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহার জরুরি।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: বেগুন একটি লাভজনক সবজি; সঠিক পরিচর্যায় হেক্টরপ্রতি ৩০–৬০ টন ফলন পাওয়া যায়।
আপনি চাইলে আমি নির্দিষ্ট জাতের বিশ্লেষণ, চাষ কৌশল বা রোগ ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিস্তারিত সাজিয়ে দিতে পারি। 🌱
✅ বেগুনের পরিচিতি ও বৈশিষ্ট্য
- বৈজ্ঞানিক নাম: Solanum melongena — এটি Solanaceae পরিবারের অন্তর্গত একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ।
- উৎপত্তি ও বিস্তৃতি: ধারণা করা হয়, বেগুনের উৎপত্তি ভারত বা আফ্রিকায়; বর্তমানে এটি বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় সবজি।
- গাছের গঠন: গাছের উচ্চতা ৪০–১৫০ সেমি পর্যন্ত হয়; পাতাগুলো ঘন, ১০–২০ সেমি দীর্ঘ এবং ৫–১০ সেমি প্রশস্ত।
- ফুল ও ফল: ফুল সাদা বা গোলাপি, পাঁচটি পাপড়িযুক্ত; ফল বেগুনি, সাদা বা সবুজ রঙের হতে পারে এবং লম্বাটে, ডিম্বাকার বা গোলাকার হয়।
- জাতভেদ: বাংলাদেশে প্রায় ১৯টি জাত রয়েছে — যেমন ইসলামপুরী, খটখটিয়া, উত্তরা (বারি বেগুন ১), নয়ন কাজল, তাল বেগুন ইত্যাদি।
- চাষ পদ্ধতি: বেগুন চাষের জন্য প্রথমে বীজতলায় চারা তৈরি করে মূল জমিতে রোপণ করতে হয়; পলি ও দোআঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
- পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা বেগুনে থাকে —
- শক্তি: ২৫ কিলোক্যালরি
- শর্করা: ৫.৮৮ গ্রাম
- আঁশ: ৩ গ্রাম
- প্রোটিন: ০.৯৮ গ্রাম
- ভিটামিন B, C, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ইত্যাদি
- স্বাস্থ্য উপকারিতা: বেগুন পিত্তনাশক, জ্বর কমায়, হজমে সহায়ক এবং খিদে বাড়ায়; আঁশযুক্ত হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
- রান্নায় ব্যবহার: বেগুন ভর্তা, পোড়া বেগুন, বেগুনী, তরকারি, মাছের সাথে রান্না ইত্যাদি জনপ্রিয় খাবার।
- বাণিজ্যিক সম্ভাবনা: সঠিক পরিচর্যায় হেক্টরপ্রতি ৩০–৬৪ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়; এটি একটি লাভজনক সবজি চাষ হিসেবে বিবেচিত।
এই তথ্যগুলো বেগুন চাষ, পুষ্টিগুণ এবং ব্যবহার সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেয়।
User Reviews
Be the first to review “বেগুন”
General Inquiries
There are no inquiries yet.
There are no reviews yet.