তুলসি
🌿 তুলসিঃ
- বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum sanctum
- পরিবার: Lamiaceae
- গাছের ধরন: ছোট ঝোপাকৃতি, সুবাসযুক্ত পাতা
- জাতভেদ: রাম তুলসি (সবুজ) ও কৃষ্ণ তুলসি (বেগুনি)
- জলবায়ু: উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া উপযোগী
- মাটি: দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ
- চাষ পদ্ধতি: বীজ বা কাটিং দ্বারা সহজে চাষযোগ্য
- ঔষধি গুণ: ঠান্ডা-কাশি, জ্বর, হজম, মানসিক চাপ কমায়
- ব্যবহার: চা, ক্বাথ, তেল, পাতার লেপ
- সামাজিক গুরুত্ব: আয়ুর্বেদ ও ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃ
অবশ্যই! 🌿 নিচে তুলসি গাছ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ১০টি পয়েন্টে সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হলো, যা পাঠ্য উপকরণ, কৃষি প্রশিক্ষণ বা সাধারণ জ্ঞানের জন্য উপযোগী:
🌿 তুলসিঃ
- বৈজ্ঞানিক নাম: Ocimum sanctum বা Ocimum tenuiflorum — এটি Lamiaceae পরিবারভুক্ত একটি ঔষধি উদ্ভিদ।
- বাংলায় পরিচিতি: তুলসি গাছকে “পবিত্র গাছ” হিসেবে গণ্য করা হয়; হিন্দু ধর্মে পূজায় ব্যবহৃত হয়।
- গাছের ধরন: ছোট ঝোপাকৃতি গাছ, উচ্চতা ১–২ ফুট; পাতাগুলো সুবাসযুক্ত ও ডিম্বাকার।
- জাতভেদ: রাম তুলসি (সবুজ পাতা) ও কৃষ্ণ তুলসি (গাঢ় বেগুনি পাতা) — উভয়ই ঔষধি গুণে সমৃদ্ধ।
- জলবায়ু ও মাটি: উষ্ণ ও শুষ্ক জলবায়ু উপযোগী; দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটিতে ভালো জন্মায়।
- চাষাবাদ: বীজ বা কাটিং দ্বারা সহজে চাষ করা যায়; বাড়ির উঠোন বা টবে লাগানো যায়।
- ঔষধি গুণ: ঠান্ডা-কাশি, জ্বর, মাথাব্যথা, হজমের সমস্যা, ত্বকের রোগ ও মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।
- ব্যবহার: পাতা চিবিয়ে খাওয়া, চা বা ক্বাথ তৈরি, তেল ও লেপ তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিরোধ ক্ষমতা: তুলসি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণে সমৃদ্ধ।
- সামাজিক গুরুত্ব: আয়ুর্বেদ ও ইউনানি চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত; ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যও রয়েছে।
User Reviews
Be the first to review “তুলসি”
General Inquiries
There are no inquiries yet.
There are no reviews yet.