কাঁচকলা
🟢 কাঁচকলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
- রান্নার উপযোগী সবুজ খোসার কলা
- ফল আঠালো, স্বাদ নিরপেক্ষ, রান্নার পর সুস্বাদু
- ফাইবার, পটাশিয়াম ও ভিটামিনে সমৃদ্ধ
- হজমে সহায়ক, ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকারী
- তরকারি, চপ, চিপস ও গ্লুটেনমুক্ত আটায় ব্যবহৃত
- সারা বছর ফলন, বাজারে চাহিদা বে
🟢 কাঁচকলার বিস্তারিত
- জাত পরিচিতি: কাঁচকলা সাধারণত মুসা × প্যারাডিসিয়াকা প্রজাতির, রান্নার উপযোগী কলা যা কাঁচা অবস্থায় খাওয়া হয় না।
- উৎপত্তি ও বিস্তার: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে উদ্ভূত; বর্তমানে আফ্রিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল ও দক্ষিণ আমেরিকায় প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- গঠন ও স্বাদ: ফল আঠালো প্রকৃতির, খোসা সবুজ, গন্ধ নিরপেক্ষ; রান্নার পর নরম ও সুস্বাদু হয়।
- পুষ্টিগুণ:
- উচ্চমাত্রায় ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন B6, ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে
- গ্লাইসেমিক সূচক কম (প্রায় ৩০), ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযোগী
- প্রতিরোধী স্টার্চ থাকায় অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়
- স্বাস্থ্য উপকারিতা:
- হজমশক্তি উন্নত করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
- রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
- ডায়াবেটিস, আলসার, বদহজম ও আইবিএস-এর জন্য উপকারী
- স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ ও স্নায়বিক কার্যকারিতা উন্নত করে
- ব্যবহার:
- তরকারি, ভর্তা, চপ, কাটলেট, চিপস, স্যুপে ব্যবহারযোগ্য
- গ্লুটেনমুক্ত আটায় রূপান্তর করে বিকল্প খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়
- পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: অতিরিক্ত খেলে পেটফাঁপা, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য বা দাঁতের সংবেদনশীলতা হতে পারে; কিডনি রোগীদের জন্য সতর্কতা প্রয়োজন
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: সহজলভ্য, সারা বছর ফলন হয়; স্থানীয় বাজারে চাহিদা ও ব্যবহার বহুমুখী
User Reviews
Be the first to review “কাঁচকলা”
No more offers for this product!
General Inquiries
There are no inquiries yet.
There are no reviews yet.