This site is test for largest CSB Network in Bangladesh. Connect Farmers community directly. Its full free now!

বেগুন

Add to wishlistAdded to wishlistRemoved from wishlist 0
Add to compare
Store
0 out of 5

📘 বেগুনের ১০টি মূল দিক

  1. বৈজ্ঞানিক নাম ও পরিবার: Solanum melongena, এটি Solanaceae (টমেটো ও আলুর পরিবার) এর অন্তর্গত।
  2. উৎপত্তি ও বিস্তার: বেগুনের উৎপত্তি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। বর্তমানে এটি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই চাষ হয়।
  3. জাতভেদ: বাংলাদেশে বারি বেগুন ১–১০ সহ স্থানীয় জাত যেমন তাল বেগুন, খাটখাটিয়া, নয়ন কাজল ইত্যাদি রয়েছে।
  4. চাষের সময়কাল: অক্টোবর-নভেম্বর মাসে চারা রোপণ করা হয় এবং ফেব্রুয়ারি-মার্চে ফল সংগ্রহ করা যায়।
  5. মাটির ধরন: দোআঁশ ও পলি মাটি বেগুন চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী; pH ৫.৫–৬.৫ হলে ভালো ফলন হয়।
  6. পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম বেগুনে থাকে—
    • শক্তি: ২৫ কিলোক্যালরি
    • আঁশ: ৩ গ্রাম
    • ভিটামিন C, B6, ফোলেট, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ
  7. স্বাস্থ্য উপকারিতা: হজমে সহায়ক, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এবং কোলেস্টেরল কমায়।
  8. রান্নায় ব্যবহার: বেগুন ভর্তা, পোড়া বেগুন, মাছের সাথে তরকারি, বেগুনী, দম বেগুন ইত্যাদি জনপ্রিয় খাবার।
  9. রোগ ও পোকা: ফল ছিদ্রকারী পোকা, পাতার দাগ রোগ, জাব পোকা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও জৈব বালাইনাশক ব্যবহার জরুরি।
  10. অর্থনৈতিক গুরুত্ব: বেগুন একটি লাভজনক সবজি; সঠিক পরিচর্যায় হেক্টরপ্রতি ৩০–৬০ টন ফলন পাওয়া যায়।

আপনি চাইলে আমি নির্দিষ্ট জাতের বিশ্লেষণ, চাষ কৌশল বা রোগ ব্যবস্থাপনা নিয়েও বিস্তারিত সাজিয়ে দিতে পারি। 🌱

  Ask a Question
SKU: CAF000৪ Category: Tags: ,

✅ বেগুনের পরিচিতি ও বৈশিষ্ট্য

  1. বৈজ্ঞানিক নাম: Solanum melongena — এটি Solanaceae পরিবারের অন্তর্গত একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ।
  2. উৎপত্তি ও বিস্তৃতি: ধারণা করা হয়, বেগুনের উৎপত্তি ভারত বা আফ্রিকায়; বর্তমানে এটি বাংলাদেশসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় সবজি।
  3. গাছের গঠন: গাছের উচ্চতা ৪০–১৫০ সেমি পর্যন্ত হয়; পাতাগুলো ঘন, ১০–২০ সেমি দীর্ঘ এবং ৫–১০ সেমি প্রশস্ত।
  4. ফুল ও ফল: ফুল সাদা বা গোলাপি, পাঁচটি পাপড়িযুক্ত; ফল বেগুনি, সাদা বা সবুজ রঙের হতে পারে এবং লম্বাটে, ডিম্বাকার বা গোলাকার হয়।
  5. জাতভেদ: বাংলাদেশে প্রায় ১৯টি জাত রয়েছে — যেমন ইসলামপুরী, খটখটিয়া, উত্তরা (বারি বেগুন ১), নয়ন কাজল, তাল বেগুন ইত্যাদি।
  6. চাষ পদ্ধতি: বেগুন চাষের জন্য প্রথমে বীজতলায় চারা তৈরি করে মূল জমিতে রোপণ করতে হয়; পলি ও দোআঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
  7. পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা বেগুনে থাকে —
    • শক্তি: ২৫ কিলোক্যালরি
    • শর্করা: ৫.৮৮ গ্রাম
    • আঁশ: ৩ গ্রাম
    • প্রোটিন: ০.৯৮ গ্রাম
    • ভিটামিন B, C, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ইত্যাদি
  8. স্বাস্থ্য উপকারিতা: বেগুন পিত্তনাশক, জ্বর কমায়, হজমে সহায়ক এবং খিদে বাড়ায়; আঁশযুক্ত হওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
  9. রান্নায় ব্যবহার: বেগুন ভর্তা, পোড়া বেগুন, বেগুনী, তরকারি, মাছের সাথে রান্না ইত্যাদি জনপ্রিয় খাবার।
  10. বাণিজ্যিক সম্ভাবনা: সঠিক পরিচর্যায় হেক্টরপ্রতি ৩০–৬৪ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়; এটি একটি লাভজনক সবজি চাষ হিসেবে বিবেচিত।

এই তথ্যগুলো বেগুন চাষ, পুষ্টিগুণ এবং ব্যবহার সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেয়। 

User Reviews

0.0 out of 5
0
0
0
0
0
Write a review

There are no reviews yet.

Be the first to review “বেগুন”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

No more offers for this product!

General Inquiries

There are no inquiries yet.

🛠️ Change
GT Community Seed Bank
Logo
Compare items
  • Total (0)
Compare
0
Shopping cart