নাগলিঙ্গম গাছ
🌺 নাগলিঙ্গম গাছ: সংক্ষিপ্ত বিবরণ
- ইংরেজি নাম: Cannonball Tree
- বৈজ্ঞানিক নাম: Couroupita guianensis
- উৎপত্তি: দক্ষিণ আমেরিকা
- গাছের বৈশিষ্ট্য: উচ্চ বৃক্ষ, কাণ্ড থেকে সরাসরি ফুল ও ফল ধরে
- ফুল: গোলাপি-কমলা রঙের, সাপের ফণার মতো পরাগচক্র; সুগন্ধযুক্ত
- ফল: গোলাকার, কামানের গোলার মতো; পাকা ফলের গন্ধ ঝাঁঝালো
- ধর্মীয় গুরুত্ব: হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে পবিত্র ফুল হিসেবে ব্যবহৃত
- ঔষধি ব্যবহার: দাঁতের ব্যথা, প্রসূতির যত্নে ও হাতির পেটের অসুখে কচিপাতা ব্যবহৃত হয়
- চাষ: বীজ থেকে সহজে জন্মায়; পার্ক ও ধর্মীয় স্থানে রোপণযো
🌳 নাগলিঙ্গম গাছের বিস্তারিত (পয়েন্ট আকারে)
🔹 সাধারণ পরিচিতি
- পরিবার: Lecythidaceae
- আদি নিবাস: মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার বনাঞ্চল
- বাংলাদেশে অবস্থান: বলধা গার্ডেন, রমনা পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়
🔹 গাছের বৈশিষ্ট্য
- উচ্চতা: প্রায় ৩০–৩৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে
- পাতা: লম্বা, উজ্জ্বল সবুজ, গ্রীষ্মকালে ঝরে যায়
- বৃক্ষের গঠন: বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট, কাণ্ড থেকে সরাসরি ফুল ফোটে
🔹 ফুলের বৈশিষ্ট্য
- রং: উজ্জ্বল গোলাপি, কমলা ও হলুদের মিশ্রণ
- পাপড়ি: ৬টি, মাংসল ও বাঁকানো
- পরাগচক্র: সাপের ফণার মতো আকৃতির, যা “নাগলিঙ্গম” নামের উৎস
- সুগন্ধ: রাতের বেলা তীব্র সুগন্ধ ছড়ায়
- ধর্মীয় গুরুত্ব: হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে পবিত্র ফুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়
🔹 ফলের বৈশিষ্ট্য
- আকৃতি: গোলাকার, কামানের গোলার মতো (এ থেকেই ইংরেজি নাম “Cannonball Tree”)
- আকার: ১৫–২৫ সেমি ব্যাস, ওজন প্রায় ২ কেজি পর্যন্ত
- বীজ: প্রতিটি ফলে ২০০–৩০০টি পর্যন্ত বীজ থাকে
- গন্ধ: পাকা ফল ফেটে গেলে ঝাঁঝালো গন্ধ ছড়ায়
🔹 বংশ বিস্তার ও চাষ
- বংশ বিস্তার: বীজ থেকে সহজে চারা জন্মে
- চাষাবাদ: আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগান, পার্ক ও ধর্মীয় স্থানে রোপণ করা হয়
- ফুল ফোটার সময়: সারা বছর, তবে বসন্ত ও গ্রীষ্মে বেশি
🔹 ভেষজ ও ব্যবহার
- ঔষধি গুণ: পাতার পেস্ট দাঁতের ব্যথায় উপকারী; ফুলের রস প্রসূতির জন্য সহায়ক বলে ধারণা রয়েছে
- প্রাণী ব্যবহার: হাতির পেটের অসুখে কচিপাতা কার্যকর বলে জানা যা
User Reviews
Be the first to review “নাগলিঙ্গম গাছ”
No more offers for this product!
General Inquiries
There are no inquiries yet.
There are no reviews yet.