ফজলি আম
🥭 ফজলি আমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
- জাত: আঁশবিহীন, রসালো ও সুগন্ধযুক্ত বৃহৎ আকৃতির আম
- চাষ এলাকা: রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মালদহ (ভারত)
- ফলন সময়: জুন–জুলাই
- ওজন: প্রতিটি আম ৫০০–৯০০ গ্রাম
- স্বাদ: অতিমিষ্ট, টক ভাব নেই
- ব্যবহার: খাওয়ার উপযোগী, জুস, আচার ও রপ্তানিতে উপযোগী
- বিশেষত্ব: GI স্বীকৃত, দীর্ঘস্থায়ী সংরক্ষণ ক্ষম
🥭 ফজলি আমের বিস্তারিত
- জাত পরিচিতি: আঁশবিহীন, রসালো ও সুগন্ধযুক্ত একটি বৃহৎ আকৃতির আমের জাত; বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জনপ্রিয়
- নামকরণ ইতিহাস: লোককথা অনুসারে রাজশাহীর নবাববাড়ির পরিচারিকা ‘ফজলি’ বা মালদহের ‘ফজলি বিবি’র নামানুসারে এই আমের নামকরণ হয়
- চাষ এলাকা: রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, কুষ্টিয়া, ঠাকুরগাঁও এবং ভারতের মালদহ জেলা
- গাছের বৈশিষ্ট্য: বিশাল আকারের গাছ, উচ্চতা ২০–৩০ ফুট; শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত, পাতায় মৃদু সুগন্ধ থাকে
- ফুল ও ফলন: ফেব্রুয়ারি–মার্চে ফুল ফোটে; জুনের মাঝামাঝি থেকে ফল পরিপক্ব হয়; প্রতি গাছ থেকে বছরে ২০০–৩০০ কেজি পর্যন্ত ফলন সম্ভব
- ফলের আকৃতি ও ওজন: প্রতিটি আমের ওজন গড়ে ৫০০–৯০০ গ্রাম; লম্বাটে ও সামান্য বাঁকা, হালকা হলুদ রঙের
- স্বাদ ও গন্ধ: অতিমিষ্ট, টক ভাব নেই; সুগন্ধ মনোরম; শাঁস একেবারে মসৃণ ও আঁশহীন
- সংরক্ষণ ক্ষমতা: অন্যান্য জাতের তুলনায় দীর্ঘদিন ভালো থাকে; রপ্তানির জন্য উপযোগী
- ব্যবহার: কাঁচা খাওয়া, জুস, চাটনি, আচার ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য তৈরিতে ব্যবহৃত হয়
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: GI (Geographical Indication) স্বীকৃত জাত; স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদাসম্পন্ন ও লাভজনক
User Reviews
Be the first to review “ফজলি আম”
No more offers for this product!
General Inquiries
There are no inquiries yet.
There are no reviews yet.