কলা
🍌 কলাঃ
- বৈজ্ঞানিক নাম: Musa spp.
- উৎপত্তিস্থল: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
- গাছের ধরন: কাণ্ডবিশিষ্ট গুল্ম, উচ্চতা ২–৫ মিটার
- ফলন সময়: রোপণের ৯–১২ মাস পর
- প্রধান জাত: সাগর, চাঁপা, কবরী, মালভোগ
- পুষ্টিগুণ: ক্যালরি ৮৯, শর্করা ২২.৮ গ্রাম, পটাশিয়াম ও ভিটামিন B6
- মাটি: দোআঁশ, pH ৫.৫–৭.৫
- রোগবালাই: পাতার ঝরা, উইল্ট, নেমাটোড
- ব্যবহার: খাওয়া, চিপস, কেক, কলা ফুল ও কাণ্ড
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: সারাবছর ফলন, বাজারে চাহিদা বেশি, রপ্তানিযো
অবশ্যই! 🍌 নিচে কলা ফল সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ১০টি পয়েন্টে সুন্দরভাবে সাজিয়ে দেওয়া হলো, যা কৃষি প্রশিক্ষণ, পাঠ্য উপকরণ বা সাধারণ জ্ঞানের জন্য উপযোগী:
🍌 কলাঃ
- বৈজ্ঞানিক নাম: Musa spp. — এটি Musaceae পরিবারভুক্ত একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ।
- উৎপত্তিস্থল: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া; বাংলাদেশে এটি একটি জনপ্রিয় ও বহুল চাষযোগ্য ফল।
- গাছের ধরন: গাছ technically কাণ্ডবিশিষ্ট গুল্ম, যার পাতাগুলো বড় ও চওড়া; উচ্চতা ২–৫ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- ফলন সময়: রোপণের ৯–১২ মাস পর ফল সংগ্রহযোগ্য হয়; জাতভেদে সময় ভিন্ন হতে পারে।
- প্রধান জাত: সাগর, চাঁপা, কবরী, মালভোগ, সবরি, Giant Cavendish — বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জাত জনপ্রিয়।
- পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৮৯ কিলোক্যালরি, ২২.৮ গ্রাম শর্করা, ১.১ গ্রাম প্রোটিন, ভিটামিন B6 ও পটাশিয়াম থাকে।
- চাষের উপযোগী মাটি: দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ, pH ৫.৫–৭.৫; পানি নিষ্কাশন ভালো হতে হবে।
- রোগবালাই: পাতা ঝরা রোগ, কলা উইল্ট, নেমাটোড আক্রমণ — ছত্রাকনাশক ও জৈব ব্যবস্থাপনায় প্রতিকার সম্ভব।
- ব্যবহার: কাঁচা ও পাকা খাওয়া, চিপস, জ্যাম, কেক, কলা ফুল ও কাণ্ডও খাদ্য ও ঔষধি কাজে ব্যবহৃত হয়।
- অর্থনৈতিক গুরুত্ব: সারাবছর ফলন হয়, বাজারে চাহিদা বেশি, কৃষকের জন্য লাভজনক ও রপ্তানিযোগ্য ফসল।
User Reviews
Be the first to review “কলা”
General Inquiries
There are no inquiries yet.
There are no reviews yet.